HomeUncategorizedমাভাবিপ্রবিতে ২০ কোটি টাকার যন্ত্রপাতি হস্তান্তর, ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

মাভাবিপ্রবিতে ২০ কোটি টাকার যন্ত্রপাতি হস্তান্তর, ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের গবেষণার কাজে ব্যবহারের জন্য বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রায় ২০ কোটি টাকা মূল্যের সোনালি ব্যাগ প্রকল্পের যন্ত্রপাতি হস্তান্তর করা হয়েছে। এ উপলক্ষে বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশন (বিজেএমসি), বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট এবং মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রাজধানীর ডেমরায় অবস্থিত লতিফ বাওয়ানী জুট মিলে এ উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বস্ত্র ও পাট প্রতিপমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুস সালাম পিন্টু, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী রওনাকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ও বিজেএমসির চেয়ারম্যান মো. কবির উদ্দিন সিকদার, এনডিসি, পিএসসি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম বলেন, গবেষণার ফলাফল কেবল গবেষণাগারে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না; সেগুলোকে ব্যবহারিক ও বাণিজ্যিকভাবে প্রয়োগযোগ্য প্রযুক্তি এবং পণ্যে রূপান্তর করতে হবে। তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং পাটভিত্তিক নতুন পণ্য ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনের লক্ষ্যে প্রায় ২০ কোটি টাকা মূল্যের সোনালি ব্যাগ প্রকল্পের যন্ত্রপাতি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সোনালি ব্যাগ প্রকল্পে প্রযুক্তিগত অগ্রগতি অর্জিত হলেও বাণিজ্যিক পর্যায়ে উৎপাদন ব্যয় সহনীয় পর্যায়ে না থাকায় প্রকল্পটি সমাপ্ত হওয়ার পর মূল্যবান যন্ত্রপাতিগুলো অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে ছিল। জাতীয় স্বার্থে এসব যন্ত্রপাতি পুনরায় গবেষণার কাজে ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষকদের এসব যন্ত্রপাতি কাজে লাগিয়ে পাটের সেলুলোজ, পরিবেশবান্ধব পাটজাত পণ্য এবং পাটের বহুমুখী ব্যবহার সম্প্রসারণে গবেষণা চালিয়ে যেতে হবে। একই সঙ্গে জাতীয় স্বার্থে এ গবেষণার সুযোগ অন্যান্য গবেষণাপ্রতিষ্ঠান এবং বেসরকারি খাতের গবেষকদের জন্যও উন্মুক্ত রাখার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশন (বিজেএমসি), বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট এবং মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন দায়িত্বপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মহিউদ্দিন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যানসহ বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

সর্বাধিক জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য