হাঁস ডিম পাড়ার আগে যেমন হাঁকডাক করে, আন্দোলন নিয়ে বিএনপিও তেমনি হাঁকডাক করছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। আজ শুক্রবার সকালে রাজশাহী সার্কিট হাউসে সাংবাদিকরা তথ্যমন্ত্রীর কাছে জানতে চাইলে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, সমগ্র পৃথিবীব্যাপী জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে। ইউরোপে, অ্যামেরিকায় এবং ইউকেতে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণে সেখানে বিদ্যুতের রেশনিং করা হচ্ছে। বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হচ্ছে। ইউরোপ, কিংবা কন্টিনেন্টাল ইউরোপ, ইউকে এবং পৃথিবীর অন্যান্য দেশে যেভাবে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে, আমাদের দেশে সেভাবে দাম বাড়ানো হয়নি।
তিনি বলেন, বিদ্যুৎ খাতে আমাদের সরকার হাজার হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে। জনগণের যাতে অসুবিধা না হয়, সেজন্য সুলভ মূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ করার জন্যই হাজার হাজার কোটি টাকা সরকার ভর্তুকি দিচ্ছে। সেই ভর্তুকিটা কিছুটা কমানোর জন্য সামান্য বৃদ্ধি করার প্রস্তাব করা হয়েছে। সেটিও অন্যান্য উন্নত দেশের তুলনায় কম।
তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী ও হেফাজতের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সমঝোতার প্রশ্ন তোলা অবান্তর। কারণ আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে অসাম্প্রদায়িক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতীক। সে লক্ষ্যে দেশ বিনির্মাণের কাজ চলছে।
আগামী ২৯ জানুয়ারি রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, আমরা জনগণকে নিয়ে রাজনীতি করি, আমাদের ভিত্তি জনগণ। সমগ্র বাংলাদেশে যে সাম্প্রতিক সমাবেশ-জনসভাগুলো করেছি, সেখানে লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাবেশ। জনগণ যে আমাদের সাথে আছে, সেটি সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন সভা-সমাবেশে প্রতীয়মান হয়েছে। আগামী ২৯ জানুয়ারি রাজশাহীতে যে জনসভা হতে যাচ্ছে, সেদিন রাজশাহী শহর লোকে লোকারণ্য হয়ে যাবে। আমরা যদিও মাদ্রাসা মাঠে সমাবেশের ডাক দিয়েছি, কিন্তু পুরো শহরটাই সেদিন সমাবেশে রূপান্তরিত হবে। লাখ লাখ মানুষের সমাবেশ হবে।
এ সময় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, খাদ্যমন্ত্রী ড. সাধন চন্দ্র মজুমদার, তথ্য ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

















