Sunday, April 26, 2026
Homeঅপরাধটাঙ্গাইলের মির্জাপুরে অজ্ঞাত নারী ও নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে অজ্ঞাত নারী ও নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার

টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ 

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে অজ্ঞাত এক গর্ভবতী নারী ও নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে কোন ধর্ষনের আলামত পাওয়া য়ায়নি। সোমবার (২০এপ্রিল) রাতে উপজেলার জামুর্কী ইউনিয়নের গুনটিয়া গ্রামের লৌহজং নদীর সেতুর পাশ থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে পুলিশ। এদিকে ওই নারীকে ধর্ষনের পর হত্যা করা হয়েছে বলে প্রচারনা চলছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। আজ রোববার টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শামসুল আলম সরকার ধর্ষনের আলামত পাওয়া যায়নি বলে নিশ্চিত করেছেন।   

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, গত সোমবার বিকেল ৬টার সময় উপজেলার জামুর্কী ইউনিয়নের গুনটিয়া নদীর পাশে দুর্গন্ধ পান  এলাকার কয়েকজন। তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে নারীর চুল দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ মাটি খুঁড়ে ওই নারী ও নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করে। এলাকাবাসীর ধারণা ৮-১০ দিন আগে ওই গর্ভবতী নারীকে হত্যা করে মাটিতে পুতে রাখা হয়।

মির্জাপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রাসেল আহমেদ জানান, মাটি খুঁড়ে ওই নারীকে বের করার সময় তার সঙ্গে এক নবজাতকের মরদেহ পাওয়া যায়। ধারণা করা হচ্ছে, ওই নারী প্রায় ৭-৮ মাসের গর্ভবতী ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর সময় নবজাতক প্রসব হয়। পরে দুইজনকে মাটিচাপা দেয়া হয়। তাঁদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। এদিকে অজ্ঞাত ওই নারীকে প্রথমে ধর্ষ ও পরে হত্যা করা হয়েছে এমন খবর বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

রোববার এ বিষয়ে জানতে চাইলে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শামসুল আলম সরকার জানান, এক সপ্তাহ আগে  মির্জাপুরের নদীর তীরে বস্তা বন্দী একটি লাশ পাওয়া যায়। পুলিশ মাটি খুঁড়ে লাশটি উদ্ধার করে। ধারণা করা হয়েছে মহিলাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে বস্তা ভরে মাটি চাপা দেয় দুর্বৃত্তরা। পরে পুলিশ লাশ  উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে। সদর হাসপাতালের আরএমও এর সাথে আমি কথা বলেছি। তিনি আমাকে জানিয়েছেন ওই মহিলার ময়না তদন্তের পর ধর্ষণের কোন আলামত পাওয়া যায়নি। তার ডিএনএ টেস্টের জন্য আলামত রাখা হয়েছে। এই রিপোর্ট আসার পর আমরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব।

পুলিম সুপার জানান, এখন পর্যন্ত ওই মহিলার পরিচয় সনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। যেহেতু মির্জাপুর একটি শিল্পাঞ্চল এলাকা। দেশের বিভিন্ন স্থানের লোকজন এখানে কর্মজীবী হিসেবে বসবাস করে। এজন্য অজ্ঞত ওই মহিলার ছবি আমরা দেশের সকল থানায় পাঠিয়ে দিয়েছি। আশা করি দ্রুত সময়ে পরিচয় সনাক্ত করা সম্ভব হবে। সেই সঙ্গে এই হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত আই

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

সর্বাধিক জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য