Wednesday, April 1, 2026
Homeআন্তর্জাতিকটলিপাড়ায় দুঃসংবাদ! প্রয়াত রাহুল অরুণোদয়

টলিপাড়ায় দুঃসংবাদ! প্রয়াত রাহুল অরুণোদয়

টলিপাড়ায় অঘটন। শুটিং করতে গিয়ে পানিতে ডুবে মারা গেলেন অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার ‘ভোলে বাবা পার করেগা’ ধারাবাহিকের শুটিং করছিলেন ৪৩ বছরের অভিনেতা। তালসারিতে জলে নামেন তিনি। অভিনেতা তলিয়ে গেলে টেকনিশিয়ানরা উদ্ধার করেন। জলে ডুবে মৃত্যু বলেই প্রাথমিক খবর। সন্ধে ছ’টা নাগাদ দিঘা হাসপাতালে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। হাসপাতালে যাওয়ার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। দিঘা হাসপাতালেই ময়নাতদন্ত হওয়ার কথা। পুলিশ সূত্রে খবর, দিঘায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর একটি মামলা দায়ের হয়েছে। কিন্তু ঘটনাটি তালসারিতে হওয়ায়, ওড়িশাতেও তদন্ত শুরু হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

ধারাবাহিকে রাহুলের জেঠুর চরিত্রে অভিনয় করেন ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, ধারাবাহিকের সকলে তালসারিতে শুটিং করতে গিয়েছিলেন। ভাস্করের কথায়, “জলে ডুবে মৃত্যু হয়েছে ওঁর। মর্মান্তিক ঘটনা। ঘটনাটি প্যাক আপের পরে ঘটেছে। তবে ঠিক কী ভাবে ঘটেছে তা এখনও স্পষ্ট নয়।” পরে জানা গিয়েছে, শুটিং শেষে একাই জলে নেমেছিলেন অভিনেতা। জলের তলায় নাকি রাহুলের পা আটকে যায় বালিতে। আর তখনই ঢেউ এসে আছড়ে পড়ে। রাহুল সেই ঢেউ সামলাতে না পেরে ডুবে যেতে থাকেন।

ভাস্কর আরও জানান, তাঁরা শুটিং করে মধ্যাহ্নভোজ করতে গিয়েছিলেন। রাহুল আরও কয়েকটি শট দিয়ে আসবেন বলে জানিয়েছিলেন। “কিন্তু এমন কিছু ঘটে যাবে ভাবতেও পারছি না। অবাক লাগছে। সুস্থ তরতাজা মানুষ এ ভাবে চলে গেল। ভাবা যাচ্ছে না।”

আর্টিস্ট ফোরামের সহকারী কোষাধ্যক্ষ অভিনেতা দিগন্ত বাগচী জানিয়েছেন, শুটিং শেষ হওয়ার পরে তিনি জলে নামেন। তিনি বলেন, “হয় ও সাঁতার জানত না, বা কোনও ভাবে আটকে পড়েছিল। হঠাৎ টেকনিশিয়নরা চিৎকার করতে করতে বলেন, ‘রাহুলদা ডুবে যাচ্ছে’। যখন উদ্ধার করা হয়, তখনও বেঁচে ছিল। কিন্তু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরে ওকে মৃত ঘোষণা করা হয়।”

উল্লেখ্য, ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ ছবি থেকে বড়পর্দায় সফর শুরু করেছিলেন রাহুল। জুটি বেঁধেছিলেন প্রিয়ঙ্কা সরকারের সঙ্গে। পরে তাঁর সঙ্গেই প্রেম ও বিয়ে। তাঁদের এক পুত্রসন্তানও রয়েছে। ২০২৫ সালের ছবি ‘অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টস’-এও অভিনয় করেছিলেন তিনি। বর্তমানে তিনি ‘ভোলে বাবা পার করেগা’ ধারাবাহিকে অভিনয় করছিলেন। কিছু দিন আগে ‘ঠাকুমার ঝুলি’ ওয়েব সিরিজ়েও দেখা গিয়েছে।

সুত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

সর্বাধিক জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য