জাহিদ দুলাল, লালমোহন প্রতিনিধিঃ
রাত পোহালেই সারাদেশে অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। এরইমধ্যে ভোলা-৩ আসনে সম্পন্ন হয়েছে ভোটগ্রহণের সব ধরনের প্রস্তুতি। ১টি পৌরসভা ও ১৫টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এ আসন। আসনটিতে মোট ভোটার ৩ লাখ ৮৮ হাজার ৫৫০ জন। এ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র রয়েছে ১১৯টি। এরমধ্যে লালমোহন উপজেলায় রয়েছে ৮৩টি ভোট কেন্দ্রে। এসব কেন্দ্রে সকাল থেকে প্রিজাইডিং অফিসারদের নেতৃত্বে নেওয়া হয়েছে নির্বাচনী সরঞ্জাম। লালমোহন উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, লালমোহন উপজেলার ৮৩টি কেন্দ্রের মোট ভোট কক্ষ ৫৬৭ টি। ৮৩টি কেন্দ্রের মধ্যে ২১টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ। ৪০টি কেন্দ্রে বসানো হয়েছে সিসি ক্যামেরা। এ ছাড়া এই উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ২লাখ ৭৭ হাজার ৭২২ জন। যাদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৪২ হাজার ৭১৪ জন, নারী ভোটার রয়েছেন ১ লাখ ৩৫ হাজার ৫ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের (হিজড়া) ভোটার ৩জন। ভোলা-৩ আসনের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করবেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, র্যাব, বিজিবি, পুলিশ ও আনসার-ভিডিপির সদস্যরা। এদিকে আসনটিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ছয়জন প্রার্থী। যার মধ্যে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে লড়ছেন বিএনপির প্রার্থী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, ফুলকপি প্রতীক নিয়ে লড়ছেন জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত বিডিপির প্রার্থী মুহাম্মদ নিজামুল হক নাঈম, হাতপাখা প্রতীক নিয়ে লড়ছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. মোসলেহ উদ্দিন, লাঙল প্রতীক নিয়ে লড়ছেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. কামাল উদ্দিন, ট্রাক প্রতীক নিয়ে লড়ছেন গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আবু তৈয়ব এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে হেলিকপ্টার প্রতীক নিয়ে লড়ছেন মো. রহমত উল্যাহ। লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. শাহ আজিজ বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। তিনজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রের নেতৃত্বে নির্বাচনের মাঠে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। আশা করছি উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটাররা নির্বিঘ্নে তাদের ভোট প্রদান করতে পারবেন। আমরা একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে দৃঢ় অবস্থানে রয়েছি।

















