ঢাকা থেকে কক্সবাজরের উদ্দেশ্যে বাস যোগে একটি কোম্পানীর কনফারেন্স উপেলক্ষে রওনা হলেন কৃষিবীদ মামুনুর রশিদ। চকরিয়া উপজেলার একটি স্থানে বাস যাত্রা বিরতী করল। নেমে দেখলেন একটি রেষ্টুরেন্ট, নামঃ “ফোর সিজন এন্ড রেষ্টুরেন্ট”।

এক স্লাইচ পিচ নরমাল কেক মাত্র ৮০ টাকাতখন গভীর রাত। বাস থেকে নেমে রেষ্টুরেন্টে খাবারের কি কি আইটেম আছে জানতে চাইলেন। হোটেল বয় বললেন, খিচুরী, ভাত, মাছ ও মাংস। বেকারীর সামনে গিয়ে দেখলেন, পেটিস ও পিচ করা কেক। মামুনুর রশিদ সাহেব তার এক গেষ্ট সহ দু‘জনে দাম জিজ্ঞসা না করে দুই পিচ খেলেন। কিছুক্ষন পর হোটেলবয় বিল ধরিয়ে দিলেন। মাত্র দুই পিচ কেকের মূল্য দেখে মামুনুর রশিদের চোখ যেন ছানাবড়া। দুই পিচ কেকের মূল্য মাত্র ১৬০ টাকা। প্রতি পিচ কেকের মূল্য ধারা হয়েছে মাত্র ৮০ টাকা। যে কেকের মুল্য অন্য কোন দোকানে বিক্রি হয় মাত্র ৮-১০ টাকা।
ফোর সিজন এন্ড রেষ্টুরেন্ট এর কাউন্টারে ৮-১০ টাকার একপিচ কেকের দাম কেন ৮০ টাকা ! জানতে চাইলে কাউন্টারের ম্যানেজার বলেন, এই মুল্য মালিক নির্ধারন করেছে। আমারা শুধুমাত্র বিক্রেতা।বিএসটিআই এর অনুমোদন আছে কিনা জানতে চাইলে বলেন, বিএসটিআইএর অনুমোদন আছে।
মামুনুর রশিদ সাহেব বাধ্য হয়ে দুই পিচ কেকের দাম ১৬০/- টাকা দিয়ে বোকার মত চলে আসলেন। বিষয়টি ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর, চকরিয়া কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করছি।

















