Saturday, November 29, 2025
Homeনির্বাচনসাবেক নির্বাচন কমিশনার ও শীর্ষ নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বর্তমান নির্বাচন কমিশনের মতবিনিময়...

সাবেক নির্বাচন কমিশনার ও শীর্ষ নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বর্তমান নির্বাচন কমিশনের মতবিনিময় সভা

সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও সাবেক নির্বাচন কমিশনার ও শীর্ষ নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বর্তমান নির্বাচন কমিশনের (ইসি) মতবিনিময় সভায় রোববার অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়ালের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় নুরুল হুদা ছাড়াও ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা করা সিইসি শামসুল হুদা, ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনের সময় সিইসি বিচারপতি আব্দুর রউফ; সাবেক নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ, মাহবুব তালুকদার ও আবু হাফিজও উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্বমানের নির্বাচন করতে হলে জনপ্রশাসন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্বাচনকালে নির্বাচন কমিশনের অধীন ন্যস্ত করতে হবে বলে মনে করেন সাবেক নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার। তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে সবার জন্য সমান সুযোগ এবং সুষ্ঠু ভোটের পরিবেশ তৈরি করতে নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকার জরুরি এবং একইসঙ্গে ভোটের আগে সংসদ ভেঙে দেয়াও দরকার। মাহবুব তালুকদার বলেন, বিগত কমিশনগুলোর সংলাপ পর্যালোচনা করলে দেখা যা, আমন্ত্রিত সুধীজন প্রায় একই ধরনের পরামর্শ দিয়েছেন। ইভিএম বা ভোটকেন্দ্রের পাহারা এই মুহূর্তের চ্যালেঞ্জ নয়। আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, বিশ্বমানের নির্বাচন করতে হলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্বাচনকালে নির্বাচন কমিশনের অধীন ন্যস্ত করতে হবে। পুলিশের কার্যক্রম কঠোরভাবে মনিটর ও নিয়ন্ত্রণ করা আবশ্যক।

তিনি বলেন, আমি মনে করি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে হলে নির্বাচন কমিশন ও সরকারের সংলাপ অনিবার্য। আমি যে রূপরেখা উপস্থাপন করলাম তা বাস্তবায়নে সংবিধান সংশোধন করা জরুরি।

দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় জাতীয় নির্বাচনের প্রতিটি আসনে অধিষ্ঠিত সংসদ সদস্যদের পদে বহাল রেখে সুষ্ঠু নির্বাচনের ধারণা বাতুলতামাত্র উল্লেখ করে মাহবুব তালুকদার বলেন, নির্বাচনের আগে সংসদ সদস্যরা পদত্যাগ না করলে ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’, অর্থাৎ সবার জন্য সমসুযোগ নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। জাতীয় নির্বাচনে জেলা প্রশাসকদের তাদের নিজস্ব এলাকায় রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ করা হয়ে থাকে।

মাহবুব তালুকদার বলেন, জেলা প্রশাসকের বদলে নির্বাচন কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের তাদের স্থলাভিষিক্ত করা প্রয়োজন। যদি একান্তই জেলা প্রশাসকদের রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ করতে হয়, তাহলে জাতীয় নির্বাচনের নির্দিষ্ট সময়ের আগে তাদের ভিন্ন জেলায় বদলি করা আবশ্যক।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

সর্বাধিক জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য